আজ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তুরস্কের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘বালিওজ’ (হাতুড়ি) মামলার অংশ হিসেবে গত ২১শে সেপ্টেম্বর ৩২৪ জন সেনাকে যে সাজা দেওয়া হয়েছে, তাতে দেশটির জেনারেল স্টাফ “দুঃখিত”।
“আমরা আমাদের সহযোদ্ধা বন্ধু ও তাদের পরিবারের দুঃখ গভীরভাবে অনুভব করছি এবং তাদের অংশীদার হচ্ছি। তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী [টিএসকে] বিশ্বাস করে যে, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে একটি ন্যায়সঙ্গত ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। টিএসকে, অতীতের মতোই, আইনের শ্রেষ্ঠত্বকে সম্মান করে,” এতে বলা হয়েছে।
ইস্তাম্বুলের একটি আদালত বালিওজ মামলায় ৩২৪ জন অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত সেনাসদস্যকে ১৩ থেকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই মামলায় অভিযোগ উঠেছিল যে, সেনাসদস্যরা বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করেছিল। এর মধ্যে ছিল ইস্তাম্বুলের দুটি বিশিষ্ট মসজিদে বোমা হামলা, ইসলামপন্থী সেজে হামলাকারীদের দ্বারা একটি জাদুঘরে আক্রমণ এবং এজিয়ান প্রতিবেশী দেশ গ্রিসের ওপর দোষ চাপিয়ে একটি তুর্কি বিমান ভূপাতিত করার মাধ্যমে দেশটির সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি।
দণ্ডিত সৈন্যদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ইব্রাহিম ফিরতিনা, অবসরপ্রাপ্ত প্রথম সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল চেতিন দোগান এবং অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল ওজদেন ওরনেক, যাঁদের প্রত্যেককে ২০০৩ সালে একটি সেনা সেমিনারে অংশ নেওয়ার পর কথিত অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা তৈরির জন্য ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
(হুরিয়েত ডেইলি নিউজ)


