ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব একমেলেদ্দিন ইহসানোগলু গতকাল লন্ডনে বলেছেন, পশ্চিমা সরকারগুলো ইসলামোফোবিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে এবং পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় বিষয় ব্যবহার করছে।
“সারা ইউরোপ জুড়ে ইসলামোফোবিয়া বাড়ছে। কোরআন পোড়ানো, নরওয়ের উটোয়া হত্যাকাণ্ড এবং ‘ইনোসেন্স অফ মুসলিমস’-এর মতো ইসলাম-বিরোধী চলচ্চিত্র নির্মাণের মতো ঘটনাগুলো এই মনোভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলছে,” লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি আলোচনার সময় ইহসানোগলু এ কথা বলেন।
মহাসচিব বলেছেন, এই নিন্দনীয় ঘটনাগুলোর দীর্ঘমেয়াদে বৃহত্তর প্রভাব রয়েছে। ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যবিরোধী লড়াই বিষয়ক একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে ইহসানোগলু বলেন, “গত পাঁচ বছরে পশ্চিমা সরকারগুলো এমন দুর্ভাগ্যজনক পদক্ষেপ নিয়েছে যা ইসলামোফোবিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত রূপ দিয়েছে।”
স্থানীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ইসলামোফোবিয়াকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাকেই সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে ইহসানোগলু বলেন: “আন্তর্জাতিক রাজনীতির হিসাব-নিকাশে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অর্থনৈতিক সংকট এই পরিস্থিতিকে আরও উস্কে দিচ্ছে। আমাদের বিশ্বাসগুলো আমাদের কৌশলগত হিসাবের অংশ হয়ে উঠেছে। উত্তেজনা বাড়ানোর পরিবর্তে আমাদের এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা উচিত।”


